Awin ইসলাম – GoodNewsBD.com https://goodnews.aamio.com গর্বের বাংলাদেশ Mon, 13 Jan 2020 14:49:46 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.4 https://goodnews.aamio.com/wp-content/uploads/2020/02/cropped-gnb-fav-red-32x32.png ইসলাম – GoodNewsBD.com https://goodnews.aamio.com 32 32 সরকারি লোনে বাড়ি করার হুকুম কী? https://goodnews.aamio.com/%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a7%81%e0%a6%95/ https://goodnews.aamio.com/%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a7%81%e0%a6%95/#respond Sat, 30 Nov 2019 12:43:21 +0000 https://crimebd.news/?p=1158 ...বিস্তারিত পড়ুন]]> প্রশ্ন: সরকারি চাকরিতে বাড়ি করা বাবত সরকারি ভাবে যে লোন দেয়া হয় সেই লোন নিয়ে আমি বাড়ি করতে পারব কি?
From: ফজলে রাব্বি। বিষয়ঃ সরকারি লোন নিয়ে বাড়ি করা যাবে কি?

উত্তর: প্রশ্নটি শুধু সরকারি লোনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় বরং সুদভিত্তিক সকল লোনের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। সুদভিত্তিক লোন তথা ঋণ নেয়া জায়েজ নয়। চাই তা সরকার থেকে হোক বা অন্য কারও থেকে হোক।

হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাঃ এর পিতা থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন- ‘যে সুদ খায়, যে সুদ খাওয়ায়, তার সাক্ষী যে হয়, আর দলিল যে লিখে তাদের সকলেরই উপর আল্লাহ তায়ালা অভিশাপ করেছেন। (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস নং-৩৮০৯, মুসনাদে আবি ইয়ালা, হাদিস নং-৪৯৮১)

উত্তর লিখেছেন: লুৎফুর রহমান ফরায়েজী
পরিচালক ও প্রধান মুফতী– মা’হাদুত তালীম ওয়াল  বুহুসিল ইসলামিয়া ঢাকা।
উস্তাজুল ইফতা– জামিয়া কাসিমুল উলুম আমীনবাজার ঢাকা।
উস্তাজুল ইফতা– জামিয়া ফারূকিয়া দক্ষিণ বনশ্রী ঢাকা।
সূত্র: আহালে হক মিডিয়া

]]>
https://goodnews.aamio.com/%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a7%81%e0%a6%95/feed/ 0
সৌদি বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিনশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী https://goodnews.aamio.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8c%e0%a6%a6%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%b6/ https://goodnews.aamio.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8c%e0%a6%a6%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%b6/#respond Thu, 21 Nov 2019 09:04:06 +0000 https://crimebd.news/?p=1118 ...বিস্তারিত পড়ুন]]> সৌদি আরবের বিখ্যাত বিদ্যাপীঠ কিং সউদ বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিনশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী রহমত উল্লাহ। বিশ্ববিদ্যালয়ের এডুকেশন ফ্যাকাল্টির সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত ছাত্রদের মধ্যে স্থান করে নেন ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের বাংলাদেশি এ ছাত্র।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. বদরান আল উমরের উপস্তিতিতে প্রতিভাবান এ শিক্ষার্থীদের হাতে সনদ ও পুরস্কার তুলে দেয়া হয়।

রহমত উল্লাহ গত শিক্ষাবর্ষেও এই পুরস্কার অর্জন করেন। তিনি নরসিংদী জেলার রায়পুরের শিবপুর গ্রামের আনোয়ারুল হকের কনিষ্ঠ সন্তান।

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ১৪৩৯-৪০ হিজরি শিক্ষাবর্ষে ফ্যাকাল্টিসমূহে সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত ১৮৭ ছাত্রছাত্রীকে ডিনশিপ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে।

প্রত্যেক ফ্যাকাল্টি থেকে সর্বোচ্চ নম্বরধারী ৫ জন করে ছাত্রছাত্রী বাছাই করা হয়। এদের মধ্যে সৌদি ছাত্রছাত্রী ছাড়াও আটজন বিদেশি ছাত্র এ অ্যাওয়ার্ডের সৌভাগ্য অর্জন করেন।

উল্লেখ্য, আরব বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কিং সউদ বিশ্ববিদ্যালয়। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামী শিক্ষা, বিজ্ঞান, কলা, প্রকৌশল, আরবি ভাষা, পর্যটন ও মনোবিজ্ঞান ইত্যাদি বিভাগে অন্তত ৩৫ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী অনার্স, মাস্টার্স, পিএইচডিসহ বিভিন্ন শিক্ষা স্তরে অধ্যয়নরত।

]]>
https://goodnews.aamio.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8c%e0%a6%a6%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%b6/feed/ 0
পৃথিবী কি ঘুরছে? কুরআন কী বলে? https://goodnews.aamio.com/%e0%a6%aa%e0%a7%83%e0%a6%a5%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a7%80-%e0%a6%95%e0%a6%bf-%e0%a6%98%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%86%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a7%80-%e0%a6%ac/ https://goodnews.aamio.com/%e0%a6%aa%e0%a7%83%e0%a6%a5%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a7%80-%e0%a6%95%e0%a6%bf-%e0%a6%98%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%86%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a7%80-%e0%a6%ac/#respond Wed, 20 Nov 2019 10:37:39 +0000 https://crimebd.news/?p=1071 ...বিস্তারিত পড়ুন]]> প্রশ্ন: কুরআন শরীফ -এ কী বর্ণনা রয়েছে যে, পৃথিবী কি ঘুরছে না কি ঘুরছে না?

উত্তর: কুরআন স্রষ্টার বিধান পালন করে আখেরাতের অনন্ত জীবনে সুখী বানানোর নির্দেশনা সম্বলিত একটি ঐশী গ্রন্থ। কোনো বৈজ্ঞানিক থিউরী গ্রন্থ নয়। তাই বৈজ্ঞানিক সাব থিউরী কুরআন থেকে প্রমাণের চেষ্টা করা বা আশা করা উভয়টিই বোকামী।

তবে যেহেতু কুরআন স্রষ্টা কর্তৃক প্রেরিত তগ্রন্থ। তাই প্রমাণিত কোনো বৈজ্ঞানিক থিউরীর উল্টো কুরাআন হবে না।

তবে কুরআন প্রসঙ্গক্রমে যদি কোনো বৈজ্ঞানিক থিউরীর কথা বলে, তাহলে সেটিই সঠিক। অতীত বা বর্তমানের বিজ্ঞানের থিউরী যদি কুরআনের আয়াতের উল্টো মনে হয়, তাহলে বুঝতে হবে, বিজ্ঞানীদের গবেষণায় ভুল আছে।

কুরআনে কোনো ভুল নেই। যখন বিজ্ঞানীরা সঠিক তথ্যে পৌঁছতে পারবেন, তখন বুঝতে পারবেন যে, কুরআনের বলা তথ্যটিই একমাত্র সঠিক।

মোটকথা হল, বৈজ্ঞানিক থিউরী কুরআনে খোঁজা বোকামী ছাড়া কিছু নয়। এটা কোনো বৈজ্ঞানিক থিউরী গ্রন্থ নয়। তাই সব বিজ্ঞানের সব থিউরী এখানে পাওয়া যাবে না এটাই বাস্তব।

পৃথিবী ঘুরছে নাকি ঘুরছে না? কুরআন এ বিষয়ে কোনো স্পষ্ট বক্তব্য প্রদান করেনি। আর কুরআনের আলোচ্য বিষয়ও এটা নয়।

তবে কুরআনে এতটুকু আছে যে আসমানের চাঁদ ও সূর্য আপন কক্ষপথে ঘুর্ণায়মান। এটা কুরআনের বক্তব্য।

সেই সাথে এটা বিজ্ঞানের প্রমাণিত সত্য যে, কুরআনের এ তথ্যটি সঠিক। চাঁদ ও সূর্য নামক গ্রহ দু’টি তার আপন কক্ষপথে ঘুর্ণায়মান।

কিন্তু পৃথিবী ঘুরে কী ঘুরে না? এ বিষয়ে কুরআন নিশ্চুপ। তাই এ বিষয়ক বৈজ্ঞানিক থিউরীকে কুরআন বিরোধী বলারও কোনো সুযোগ নেই।

কাফেররা কি ভেবে দেখে না যে, আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর মুখ বন্ধ ছিল, অতঃপর আমি উভয়কে খুলে দিলাম এবং প্রাণবন্ত সবকিছু আমি পানি থেকে সৃষ্টি করলাম। এরপরও কি তারা বিশ্বাস স্থাপন করবে না?  [সূরা আম্বিয়া-৩০]

তিনিই সৃষ্টি করেছেন রাত্রি ও দিন এবং সূর্য ও চন্দ্র। সবাই আপন আপন কক্ষপথে বিচরণ করে। [সূরা আম্বিয়া-৩৩]

উত্তর লিখেছেন- লুৎফুর রহমান ফরায়েজী

]]>
https://goodnews.aamio.com/%e0%a6%aa%e0%a7%83%e0%a6%a5%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a7%80-%e0%a6%95%e0%a6%bf-%e0%a6%98%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%86%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a7%80-%e0%a6%ac/feed/ 0
জুম্মার দিনের ফজিলত ও করণীয় https://goodnews.aamio.com/%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ab%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%a4-%e0%a6%93-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%a3/ https://goodnews.aamio.com/%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ab%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%a4-%e0%a6%93-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%a3/#respond Fri, 08 Nov 2019 09:28:48 +0000 https://ourbarta.com/?p=747 ...বিস্তারিত পড়ুন]]> সপ্তাহের সেরা দিন শুক্রবার তথা জুম্মার দিন। এটি পৃথীবির অন্যতম তাৎপর্যবহ দিবস। জুম্মা নামে পবিত্র কোরআনে একটি সূরা আছে। এইদিনে মহান আল্লাহতায়ালা জগৎ সৃষ্টির পূর্ণতা দান করেছিলেন।

হজরত আদম (আ.) ও হাওয়া (আ.)-কে এই দিনেই জান্নাতে একত্র করেছিলেন এবং এই দিনে মুসলিম উম্মাহ সাপ্তাহিক ঈদ ও ইবাদত উপলক্ষে মসজিদে একত্র হয় বলে দিনটাকে ইয়াওমুল জুমাআ বা জুমার দিন বলা হয়।

আবু হুরাইরা (রা:) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: আমরা শেষে এসেছি কিন্তু কেয়ামতের দিন সবার আগে থাকবো। যদিও অন্য সব জাতিগুলো (ইহুদী ও খৃষ্টান) কে গ্রন্থ দেওয়া হয়েছে আমাদের পূর্বে, আমাদের গ্রন্থ দেওয়া হয়েছে তাদের পরে। অত:পর জেনে রাখো এই (জুমার) দিনটি আল্লাহ আমাদের দান করেছেন।

তিনি এ ব্যাপারে আমাদের সঠিক পথের দিশা দিয়েছেন। আর অন্য লোকেরা এ ব্যাপারে আমাদের পিছনে আছে। ইহুদীরা জুমার পরের দিন (শনিবার) উদযাপন করে আর খৃস্টানরা তার পরের দিন (রবিবার) উদযাপন করে। (বর্ণনায়: বুখারী ও মুসলিম)

জুমার নামাজের সূচনাঃ

জুমার নামাজ ফরজ হয় প্রথম হিজরিতে। রাসূলুল্লাহ (সা.) হিজরতকালে কুবাতে অবস্থান শেষে শুক্রবার দিনে মদিনা পৌঁছেন এবং বনি সালেম গোত্রের উপত্যকায় পৌঁছে জোহরের ওয়াক্ত হলে সেখানেই তিনি জুমার নামাজ আদায় করেন। এটাই ইতিহাসের প্রথম জুমার নামাজ।

হিজরতের পরে জুমার নামাজ ফরজ হওয়ার আগে নবুওয়তের দ্বাদশ বর্ষে মদিনায় নাকীউল খাজিমাতে হজরত আসআদ বিন যুরারাহ (রা.)-এর ইমামতিতে সম্মিলিতভাবে শুক্রবারে দুই রাকাত নামাজ আদায়ের প্রমাণ পাওয়া যায়। তবে সেটা ছিল নফল নামাজ।

এ প্রসঙ্গে মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাকে সহীহ সনদে মুহাম্মদ ইবনে সিরীন থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (স.)-এর মদিনায় আগমনের এবং জুমার নামাজ ফরজ হওয়ার আগে একবার মদিনার আনসারগণ একত্র হয়ে আলোচনা করলেন, ইহুদিদের জন্য সপ্তাহে একটা দিন নির্দিষ্ট আছে, যে দিনে তারা সকলে একত্র হয়।

নাসারাদেরও সপ্তাহে একদিন সবার একত্র হওয়ার জন্য নির্ধারিত আছে। সুতরাং আমাদের জন্য সপ্তাহে একটা দিন নির্দিষ্ট হওয়া প্রয়োজন, যে দিনে আমরা সবাই সমবেত হয়ে আল্লাহকে স্মরণ করব, নামাজ আদায় করব।

অতঃপর তাঁরা আলোচনাকালে বললেন, শনিবার ইহুদিদের আর রোববার নাসাদের জন্য নির্ধারিত। অবশেষে তাঁরা ‘ইয়াওমুল আরুবা’ (শুক্রবার)-কে গ্রহণ করলেন এবং তাঁরাই এদিনকে ‘জুমার দিন’ নামকরণ করলেন। (সীরাতুল মুস্তাফা, দারসে তিরমিজি)

জুমার নামাজের গুরুত্বঃ

শুক্রবারের দিন জোহরের নামাজের পরিবর্তে জুমার নামাজকে ফরজ করা হয়েছে। জুমার দুই রাকাত ফরজ নামাজ ও ইমামের খুতবাকে জোহরের চার রাকাত ফরজ নামাজের স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে। সপ্তাহের এদিনে জুমার খতিব উম্মতের যাবতীয় প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কোরআন ও হাদিসের আলোকে নির্দেশনা ও সমাধানমূলক উপদেশ দেবেন তাঁর খুতবায়।

হজরত তারেক ইবনে শিহাব (রা.) থেকে একটি হাদিস বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ক্রীতদাস, মহিলা, নাবালেগ বাচ্চা ও অসুস্থ ব্যক্তি—এই চার প্রকার মানুষ ছাড়া সকল মুসলমানের ওপর জুমার নামাজ জামাতে আদায় করা অপরিহার্য কর্তব্য (ফরজ)। (আবু দাউদ : ১০৬৭, মুসতাদরেকে হাকেম : ১০৬২ , আস্-সুনানুল কাবীর : ৫৫৮৭)

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে এ মর্মে হাদিস বর্ণিত হয়েছে যে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো শরীয়তসম্মত কারণ ছাড়া জুমার নামাজ বর্জন করবে, তার নাম মুনাফিক হিসেবে এমন দপ্তরে লিপিবদ্ধ হবে, যা মুছে ফেলা হবে না এবং পরিবর্তন ও করা যাবে না। (তাফসিরে মাজহারি ,খণ্ড : ৯ , পৃষ্ঠা : ২৮৩)

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) এ মর্মে হাদিস বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (স.) যে সমস্ত লোক জুমার নামাজ থেকে দূরে থাকে (পড়ে না) তাদের সম্পর্কে বলেছেন, নিশ্চয়ই আমার ইচ্ছা হয় যে আমি কাউকে নামাজ পড়ানোর আদেশ করি, সে মানুষকে নামাজ পড়াক। অতঃপর যে সমস্ত লোক জুমার নামাজ পড়ে না, আমি তাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিই। (মুসলিম : ৬৫২, মুসনাদে আহমাদ : ৩৮১৬, মুসনাদে ইবনে আবি শাইবা : ৫৫৩৯, আসু-সুনানুল কুবরা : ৪৯৩৫)

জুমার দিনের ফজিলতঃ সাপ্তাহিক ঈদ হিসেবে জুমার দিনের ফজিলত অনেক বেশি। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন : জুমার দিনে ফেরেশতাগণ বিশেষ রেজিস্টার নিয়ে মসজিদের প্রতিটি দরজায় দাঁড়িয়ে যান। তাঁরা মসজিদে আগমনকারী মুসল্লিদের নাম পর্যায়ক্রমে লিপিবদ্ধ করতে থাকেন। অতঃপর যখন ইমাম সাহেব এসে যান, তখন তারা রেজিস্টার বন্ধ করে খুতবা শুনতে থাকেন।

যে সবার আগে মসজিদে প্রবেশ করে, সে একটি উট আল্লাহর রাস্তায় দান করার সওয়াব লাভ করে। যে দুই নম্বরে প্রবেশ করে, সে একটি গরু আল্লাহর রাস্তায় দান করার সওয়াব পায়। যে তিন নম্বরে প্রবেশ করে, সে একটি দুম্বা দান করার সওয়াব পায়। যে চার নম্বরে প্রবেশ করে, সে একটি মুরগি দান করার সওয়াব লাভ করে। আর যে পাঁচ নম্বরে প্রবেশ করে, সে একটি ডিম আল্লাহর রাস্তায় দান করার সওয়াব পায়। (মুসনাদে শাফী : ৬২, জামে লি ইবনে ওহাব : ২২৯, মুসনাদে হুমাইদি : ৯৬৩ )

হজরত সালমান (রা.) হতে একটি হাদিস বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিনে সুন্দর করে গোসল করবে, অতঃপর তেল ব্যবহার করবে এবং সুগন্ধি নেবে, তার পর মসজিদে গমন করবে, দুই মুসল্লির মাঝে জোর করে জায়গা নেবে না, সে নামাজ আদায় করবে এবং ইমাম যখন খুতবা দেবেন, চুপ করে মনোযোগসহকারে তাঁর খুতবা শুনবে। দুই জুমার মধ্যবর্তী সময়ে তার সব গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে। (মুসনাদে আবু দাউদ : ৪৭৯) জুমার দিনে দোয়া কবুল

জুমাবারের ফজিলতের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিকটি হলো, এই দিনে এমন একটা সময় আছে, যখন মুমিন বান্দা কোনো দোয়া করলে মহান আল্লাহ তাঁর দোয়া কবুল করেন। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে একটি হাদিস বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, জুমার দিনে একটা এমন সময় আছে, যে সময়ে কোনো মুমিন বান্দা আল্লাহর কাছে ভালো কোনো কিছু প্রার্থনা করলে, অবশ্যই আল্লাহ তাঁকে তা দান করবেন। (সহীহ মুসলিম : ৮৫২, মুসনাদে আহমাদ : ৭১৫১, আস্-সুনানুল কুবরা : ১০২৩৪)

জুমার দিনে দোয়া কবুল হওয়ার সে মহামূল্যবান সময় কোনটা? এ সম্পর্কে ৪৫টা মতামত পাওয়া যায়। তবে সর্বাধিক প্রসিদ্ধ মত হলো, আসরের নামাজের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত সময় দোয়া কবুলের সময়। হজরত আনাস (রা.) থেকে একটি হাদিস বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, জুমার দিনের কাঙ্ক্ষিত সময়টা হলো আসরের পর থেকে সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত। (মুসনাদে ইবনে আবি শাইবা : ৫৪৬০ , তিরমিজি : ৪৮৯)

]]>
https://goodnews.aamio.com/%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ab%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%a4-%e0%a6%93-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%a3/feed/ 0