Awin
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. বদরান আল উমরের উপস্তিতিতে প্রতিভাবান এ শিক্ষার্থীদের হাতে সনদ ও পুরস্কার তুলে দেয়া হয়।
রহমত উল্লাহ গত শিক্ষাবর্ষেও এই পুরস্কার অর্জন করেন। তিনি নরসিংদী জেলার রায়পুরের শিবপুর গ্রামের আনোয়ারুল হকের কনিষ্ঠ সন্তান।
মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ১৪৩৯-৪০ হিজরি শিক্ষাবর্ষে ফ্যাকাল্টিসমূহে সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত ১৮৭ ছাত্রছাত্রীকে ডিনশিপ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে।
প্রত্যেক ফ্যাকাল্টি থেকে সর্বোচ্চ নম্বরধারী ৫ জন করে ছাত্রছাত্রী বাছাই করা হয়। এদের মধ্যে সৌদি ছাত্রছাত্রী ছাড়াও আটজন বিদেশি ছাত্র এ অ্যাওয়ার্ডের সৌভাগ্য অর্জন করেন।
উল্লেখ্য, আরব বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কিং সউদ বিশ্ববিদ্যালয়। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামী শিক্ষা, বিজ্ঞান, কলা, প্রকৌশল, আরবি ভাষা, পর্যটন ও মনোবিজ্ঞান ইত্যাদি বিভাগে অন্তত ৩৫ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী অনার্স, মাস্টার্স, পিএইচডিসহ বিভিন্ন শিক্ষা স্তরে অধ্যয়নরত।
]]>উত্তর: কুরআন স্রষ্টার বিধান পালন করে আখেরাতের অনন্ত জীবনে সুখী বানানোর নির্দেশনা সম্বলিত একটি ঐশী গ্রন্থ। কোনো বৈজ্ঞানিক থিউরী গ্রন্থ নয়। তাই বৈজ্ঞানিক সাব থিউরী কুরআন থেকে প্রমাণের চেষ্টা করা বা আশা করা উভয়টিই বোকামী।
তবে যেহেতু কুরআন স্রষ্টা কর্তৃক প্রেরিত তগ্রন্থ। তাই প্রমাণিত কোনো বৈজ্ঞানিক থিউরীর উল্টো কুরাআন হবে না।
তবে কুরআন প্রসঙ্গক্রমে যদি কোনো বৈজ্ঞানিক থিউরীর কথা বলে, তাহলে সেটিই সঠিক। অতীত বা বর্তমানের বিজ্ঞানের থিউরী যদি কুরআনের আয়াতের উল্টো মনে হয়, তাহলে বুঝতে হবে, বিজ্ঞানীদের গবেষণায় ভুল আছে।
কুরআনে কোনো ভুল নেই। যখন বিজ্ঞানীরা সঠিক তথ্যে পৌঁছতে পারবেন, তখন বুঝতে পারবেন যে, কুরআনের বলা তথ্যটিই একমাত্র সঠিক।
মোটকথা হল, বৈজ্ঞানিক থিউরী কুরআনে খোঁজা বোকামী ছাড়া কিছু নয়। এটা কোনো বৈজ্ঞানিক থিউরী গ্রন্থ নয়। তাই সব বিজ্ঞানের সব থিউরী এখানে পাওয়া যাবে না এটাই বাস্তব।
পৃথিবী ঘুরছে নাকি ঘুরছে না? কুরআন এ বিষয়ে কোনো স্পষ্ট বক্তব্য প্রদান করেনি। আর কুরআনের আলোচ্য বিষয়ও এটা নয়।
তবে কুরআনে এতটুকু আছে যে আসমানের চাঁদ ও সূর্য আপন কক্ষপথে ঘুর্ণায়মান। এটা কুরআনের বক্তব্য।
সেই সাথে এটা বিজ্ঞানের প্রমাণিত সত্য যে, কুরআনের এ তথ্যটি সঠিক। চাঁদ ও সূর্য নামক গ্রহ দু’টি তার আপন কক্ষপথে ঘুর্ণায়মান।
কিন্তু পৃথিবী ঘুরে কী ঘুরে না? এ বিষয়ে কুরআন নিশ্চুপ। তাই এ বিষয়ক বৈজ্ঞানিক থিউরীকে কুরআন বিরোধী বলারও কোনো সুযোগ নেই।
কাফেররা কি ভেবে দেখে না যে, আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর মুখ বন্ধ ছিল, অতঃপর আমি উভয়কে খুলে দিলাম এবং প্রাণবন্ত সবকিছু আমি পানি থেকে সৃষ্টি করলাম। এরপরও কি তারা বিশ্বাস স্থাপন করবে না? [সূরা আম্বিয়া-৩০]
তিনিই সৃষ্টি করেছেন রাত্রি ও দিন এবং সূর্য ও চন্দ্র। সবাই আপন আপন কক্ষপথে বিচরণ করে। [সূরা আম্বিয়া-৩৩]
উত্তর লিখেছেন- লুৎফুর রহমান ফরায়েজী
]]>আপনার জিজ্ঞাসার ১৯০৮তম পর্বে তিনবার কবুল বললেই বিয়ে হয়ে যাবে কি না, সে সম্পর্কে ই-মেইলে জানতে চেয়েছেন রিমন আহমেদ। অনুলিখনে ছিলেন জহুরা সুলতানা।
প্রশ্ন: একটি মেয়ে। তার স্বামী আছে। কিন্তু সেই মেয়েটির সঙ্গে অন্য একটি ছেলের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং ছেলে ও মেয়ে তিনবার করে কবুল বলে। এটা কি ঠিক?
উত্তর: না, এটা ঠিক নয়। এই যে তিনবার করে কবুল বলল, অথচ স্বামী আছে। অর্থাৎ বিবাহিতা। তারপরও তিনি তিনবার করে কবুল বলেছেন। এটা ঠিক নয়। এটা পরকীয়ার বিষয়, অন্যায় বিষয়। এর সঙ্গে বিয়ের সামান্যতম কোনো সম্পর্ক নেই। তাঁরা খারাপ কাজে লিপ্ত আছেন, যে কাজটি অবৈধ। এখন স্বামীর কাছেই তাঁর ফিরে যাওয়া উচিত এবং সেখানেই স্থির থাকা প্রয়োজন।
]]>