Awin
এর বাইরে ব্যয়বহুল বেসরকারি ১৩ টি প্রতিষ্ঠানকে কোভিড-১৯ পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছে সরকার। হাসপাতালে গিয়ে নমুনা পরীক্ষা করালে সাড়ে ৩ হাজার টাকা ও হাসপাতাল প্রতিনিধি বাসায় গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করলে সাড়ে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ বেঁধে দিয়েছে সরকার। তবে, বেশিরভাগ হাসপাতালই নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি আদায় করেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক নাসিমা সুলতানা জানান, ৪৯ টি ল্যাবরেটরিতে নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। প্রধানত, বিএসএমএমইউ, ব্র্যাক ও জেকেজির কিয়স্কগুলোতে গিয়ে নমুনা দিতে হবে। কিছু কিছু সরকারি হাসপাতালও নমুনা নিয়ে থাকে।
কোভিড-১৯ পরীক্ষায় নমুনা সংগ্রহের কেন্দ্রগুলোর বিস্তারিত নিম্নে দেওয়া হলো:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) নমুনা দিতে হলে আগে থেকেই অনলাইনে সাক্ষাৎকার ফরম পূরণ করতে হবে। বিএসএমএমইউএর ওয়েবসাইটের ডানদিকে ফিভার ক্লিনিকের অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য ক্লিক করুন লেখা বাটনে চাপলেই পাওয়া যাবে সাক্ষাৎকার ফরমটি। যাঁরা এই ফরম পূরণ করবেন তাঁদের মুঠোফোন নম্বরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দিষ্ট নম্বর ০১৫৫২১৪৬২০২ থেকে খুদে বার্তা পাঠানো হবে। এই খুদে বার্তা দেখালে পরীক্ষা করা যাবে।
বিএসএমএমইউএর ফিভার ক্লিনিক সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন থাকলে ফোন করা যাবে ০১৪০৬৪২৬৪৪৩ এই নম্বরে।
ব্র্যাকের কিয়স্ক:
ব্র্যাকের স্বাস্থ্য কর্মসূচির সহযোগী পরিচালক মোরশেদা চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ঢাকার ৩৪ টি জায়গায় তাঁরা কিয়স্ক স্থাপন করেছেন। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ২টা পর্যন্ত নমুনা সংগ্রহ করে তাঁরা সরকার নির্ধারিত গবেষণাগারে পৌঁছে দেন।
দৈনিক এক একটি বুথ থেকে তাঁরা ত্রিশটি নমুনা সংগ্রহ করে থাকেন। সক্ষমতা বেশি হলেও, গবেষণাগারের সক্ষমতার ভিত্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আপাতত এই সীমা ঠিক করে দিয়েছে। তবে কিয়স্কের সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে।
ব্র্যাকের কেন্দ্রগুলো রয়েছে:
সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল – মিরপুর ১৩
৪ নম্বর ওয়ার্ড কমিউনিটি সেন্টার – মিপুর ১৩
আনোয়ারা মুসলিম গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ – বাউনিয়া
উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ – উত্তরা
উত্তরা হাই স্কুল (ডিএনসিসি) – সেক্টর-৬, উত্তরা
১০ নং কমিউনিটি সেন্টার (ডিএনসিসি) – সেক্টর ৬, উত্তরা
উত্তরখান জেনারেল হাসপাতাল – উত্তরখান, ওয়ার্ড ৪৫
নবজাগরণ ক্লাব, জামতলা – ইসমাঈলদেওয়ান মহল্লা, আজিমপুর, দক্ষিণখান
পল্টন কমিউনটি সেন্টার – নয়াপল্টন, পল্টন থানার উল্টোদিকে
কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল – ১ ও ২ (শুধুমাত্র পুলিশ সদস্যদেও জন্য)
প্রেস ক্লাব – (তোপখানা)
৫০ নম্বর ওয়ার্ড যাত্রাবাড়ি কমিউনিটি সেন্টার – শহীদ ফারুক সড়ক, জলাপাড়া, যাত্রাবাড়ি
সুইপার কলোনী, দয়াগঞ্জ বস্তি – যাত্রাবাড়ি
হাজী জুম্মন কমিউনিটি সেন্টার – নয়াবাজার মোড়, হাজী রশিদ লেন
বাসাবো কমিউনিটি সেন্টার – বাসাবো
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি – সেগুনবাগিচা
আমলিগোলা পার্ক ও কমিউনিটি সেন্টার – ধানমন্ডি
সূচনা কমিউনিটি সেন্টার – মোহাম্মদপুর
আসাদুজ্জামান খান কামাল কমিউনিটি সেন্টার (ডিএনসিসি) – মধুবাগ, মগবাজার
মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম চৌধুরী কমিউনিটি সেন্টার – কামরাঙ্গীরচর
শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতাল – টঙ্গি
উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্স – সাভার
জেকেজি হেলথ কেয়ার:
পল্লীবন্ধু এরশাদ বিদ্যালয় – করাইল, বনানী
রাজারবাগ পুলিশ লাইনস স্কুল (শুধুমাত্র পুলিশ সদস্যদের জন্য)
সবুজবাগ সরকারি মহাবিদ্যালয়, বাসাবো , খিলগাঁও
খিলগাঁও স্কুল অ্যান্ড কলেজ , খিলগাঁও
তিতুমীর কলেজ
নারায়ণগঞ্জ
১. নারায়ণগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজ
২. এম ডব্লিউ উচ্চ বিদ্যালয়, সিদ্ধিরগঞ্জ
মিটফোর্ড হাসপাতালে নমুনা দেওয়া যায়, বাকিগুলোয় সীমিত পরিসরে:
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালে ফ্লু কর্নার থেকে রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। হাসপাতালের পরিচালক রাশিদুন নবী প্রথম আলোকে বলেন, গড়ে ১৪০ টি নমুনা তাঁরা পরীক্ষা করছেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজে কোভিড-১৯ শনাক্ত হয়েছে বা উপসর্গ নিয়ে যারা আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি আছেন কিংবা অন্যকোনো রোগে ভর্তি রোগীরা পরীক্ষা করাতে পারবেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।
এ তথ্য দিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসিরউদ্দীন। এর আগে বহির্বিভাগে আসা রোগীরা নমুনা দিয়ে যেতে পারতেন। এখন রোগীর চাপ বাড়ায় এ প্রক্রিয়া থেকে হাসপাতালকে পিছিয়ে আসতে হয়েছে।
মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল
ও চাইল্ড হেলথ কেয়ার রিসার্চ ফউন্ডেশন ও ঢাকা শিশু হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের নমুনা পরীক্ষার ব্যবস্থা আছে।
বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ঢাকার যেখানে নমুনা পরীক্ষা করা যাবে:
এভারকেয়ার হসপিটাল, ঢাকা
স্কয়ার হসপিটাল, ঢাকা
প্রাভা হেলথ বাংলাদেশ লিমিটেড, ঢাকা
ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ হসপিটাল, ঢাকা
আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হসপিটাল, ঢাকা
এনাম মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল, ঢাকা
ইউনাইটেড হসপিটাল লিমিটেড, ঢাকা
বায়োমেড ডায়াগনস্টিক, ঢাকা
ডিএমএফআর মলিকিউলার ল্যাব অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক, ঢাকা
ল্যাব এইড হসপিটাল, ঢাকা
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ হেলথ সায়েন্সেস জেনারেল হসপিটাল, ঢাকা
কেয়ার মেডিকেল কলেজ, ঢাকা
ঢাকার বাইরে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা করা যাবে:
টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড রাফাতউল্লাহ কমিউনিটি হসপিটাল, বগুড়া
শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরি (প্রাইভেট) লিমিটেড, চট্টগ্রাম
ঢাকার বাইরে যেসব জায়গায় সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা করা যাবে:
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক নাসিমা সুলতানা জানান, এখন সব হাসপাতালে ফ্লু কর্ণার করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। কোভিড-১৯ এর উপসর্গ আছে এমন রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরিগুলোতে পাঠানো যাবে।
অধিদপ্তরের তালিকা অনুযায়ী পরীক্ষা হচ্ছে:
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ট্রপিকাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি), চট্টগ্রাম
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ
কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ
আবদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজ , নোয়াখালি
নোয়াখালি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ
শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ, জামালপুর
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ
শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ
রংপুর মেডিকেল কলেজ
এম আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ, দিনাজপুর
সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
খুলনা মেডিকেল কলেজ
কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ
শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ, বরিশাল
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ
নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতাল
কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল
*এসব মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অন্তঃবিভাগে ভর্তি রোগী বা বহির্বিভাগে আসা রোগীর নমুনা সংগ্রহের পর পরীক্ষা করা হচ্ছে। এর বাইরে, নমুনা সংগ্রহের পর পরীক্ষা করা হচ্ছে কয়েকটি গবেষণাগারে। যেমন:
চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সাইন্সেস ইউনিভার্সিটি
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
গাজী কেভিড-১৯ পিসিআর ল্যাব, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ
মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালগুলোর ল্যাবে পরীক্ষা হতে পারে। এর বাইরেও
নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হচ্ছে নিচের গবেষণাগারগুলোয়।
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন অ্যান্ড রেফারেল সেন্টার
আইইডিসিআর
জনস্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান
আন্তর্জাতিক উদারাময় গবেষণা প্রতিষ্ঠান
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয়
চাইল্ড হেলথ কেয়ার রিসার্চ ফউন্ডেশন ও ঢাকা শিশু হাসপাতাল
আর্মর্ড ফোর্সেস ইনস্টিটিউট অব প্যাথলজি ও সিএমএইচ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ
আইদেশি (বেসরকারি)
বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট
জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান
মুগদা মেডিকেল কলেজ
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ
কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল
উচ্চতর বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিটি মেয়র ইকরামুল হক, স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক আবুল কাশেম, হাসপাতালের উপপরিচালক লক্ষ্মী নারায়ণ মজুমদার, মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ চিত্তরঞ্জন দেবনাথ, সিভিল সার্জন এ বি এম মসিউল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বেশ আগে প্রস্তাব দেওয়া হলেও বিভিন্ন কারণে ময়মনসিংহে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল স্থাপন নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত নতুন ভবনের পঞ্চম থেকে অষ্টম তলা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালটির উপপরিচালক লক্ষ্মী নারায়ণ মজুমদার। এখানে ১৫০ জন রোগী চিকিৎসা নিতে পারবেন। সাতটি আইসিইউ শয্যা, তিনটি ভেন্টিলেটর ও কেন্দ্রীয়ভাবে অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থা রয়েছে।
আজ পর্যন্ত ময়মনসিংহ বিভাগে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৭৮৬ জনের। মৃত্যু হয়েছে ২০ জনের। ময়মনসিংহ জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা ৮৯৭ এবং মৃতের সংখ্যা ১০ জন। পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে এমন আশঙ্কা থেকেই ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এখানে ২০০ করোনা রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক আবুল কাশেম।
বিএমএ ময়মনসিংহ শাখার সাধারণ সম্পাদক হোসাইন আহাম্মদ গোলন্দাজ বলেন, যেহেতু এখানে আইসিইউ, ভেন্টিলেটর ও পর্যাপ্ত অক্সিজেন প্রদানের ব্যবস্থা রয়েছে, তাই এতে করে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের যথাযথ চিকিৎসাসেবা দেওয়া সম্ভব হবে।
]]>পপগুরু আজম খান ২০১১ সালের এই দিনেই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে না ফেরার দেশে পাড়ি দিয়েছিলেন তিনি। তারপর থেকেই ৫ জুন দেশের সঙ্গীতপিপাসু মানুষের কাছে শোকের দিন। এই দিনটিতে নানাভাবে তাকে স্বরণ করে থাকেন গানপাগল মানুষরা।
আজম খান দেশীয় ফোক ফিউশনের সাথে পাশ্চাত্যের যন্ত্রপাতির ব্যবহার করে বাংলা গানের এক নতুন ধারা তৈরি করেছিলেন। অনেকে তাকে বাংলাদেশের বব মার্লি বা বব ডেলান বলেও সম্মানিত করে থাকেন।
১৯৫০ সালে ২৮ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন আজম খান। তার পুরো নাম মাহবুবুল হক খান। বাবার নাম আফতাব উদ্দিন আহমেদ ও মা জোবেদা খাতুন। তার শৈশবের পাঁচ বছর কাটে আজিমপুর কলোনিতে। তারা ৪ ভাই ও এক বোন ছিলেন।
১৯৫৫ সালে তিনি প্রথমে আজিমপুরের ঢাকেশ্বরী স্কুলে ভর্তি হন। ১৯৫৬ সালে তার বাবা কমলাপুরে বাড়ি বানালে সেখানে চলে যান পরিবারসহ। কমলাপুরের প্রভেনশিয়াল স্কুলে প্রাইমারিতে এসে ভর্তি হন। তারপর ১৯৬৫ সালে সিদ্ধেশ্বরী হাইস্কুলে বাণিজ্য বিভাগে ভর্তি হন। এই স্কুল থেকে ১৯৬৮ সালে এসএসসি পাস করেন। ১৯৭০ সালে টিঅ্যান্ডটি কলেজ থেকে বাণিজ্য বিভাগে দ্বিতীয় বিভাগে উত্তীর্ণ হন।
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময়ে আজম খান পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। তখন তিনি ক্রান্তি শিল্পী গোষ্ঠীর সক্রিয় সদস্য ছিলেন এবং পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণের বিরুদ্ধে গণসঙ্গীত গাইতেন। ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে ২ নম্বর সেক্টরে পাকিস্তানি সৈন্যদের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
পপগুরু আজম খান ১৯৭০ সালে ‘উচ্চারণ’ নামে একটি ব্যান্ডদল প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ১৯৭২ সালে প্রথম স্টেজ প্রোগ্রাম করেন নটরডম কলেজে এবং একই সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রথম টেলিভিশন অনুষ্ঠান করেন। তবে ১৯৭৩ সালের ১ এপ্রিল ওয়াপদা মিলনায়তনের অনুষ্ঠানই তাকে খ্যাতিমান করে তোলেন।
আজম খান একাধারে ছিলেন সঙ্গীতশিল্পী, গিটারিস্ট ও গীতিকার। ১৯৮২ সালে প্রকাশ হয় তার প্রথম একক অ্যালবাম ‘এক জনম’। তিনি একে একে ১৬৮টি একক গান ৩০টি মিক্সস গানসহ ১৪টি অ্যালবামের মাধ্যমে শ্রোতাদের অসংখ্যা জনপ্রিয় গান উপহার দেন। আজম খানের জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে- ‘ওরে সালেকা ওরে মালেকা’, ‘আলাল দুলাল’, ‘অনামিকা চুপ’, ‘সারা রাত’ ইত্যাদি।
শিল্পী চরিত্রের পাশাপাশি আজম খান স্বনামধন্য ছিলেন একজন খেলোয়াড় হিসেবেও। নিজে সাঁতার কাটতেন এবং নতুন সাঁতারুদের মোশারফ হোসেন জাতীয় সুইমিং পুলে সপ্তাহে ৬ দিন সাঁতার শেখাতেন। ক্রিকেট ও ফুটবল খেলোয়াড় হিসেবেও ছিলেন পারদর্শী। এইসব কারণে দেশের ক্রীড়াঙ্গনেও ছিল তার দারুণ সমাদর। তিনি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেও জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন।
পারিবারিক জীবনে তিনি দুই কন্যা ইমা এবং রিমা ও পুত্র হৃদয়ের জনক। এই প্রতিভাবান সাহসী, নিরহঙ্কার, গুণী মুক্তিযোদ্ধা, সঙ্গীতশিল্পী ক্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘদিন যুদ্ধ করে পরাজিত হন গত ২০১১ সালের ৫ জুন। ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল মাত্র ৬১ বছর। মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে ঘুমিয়ে আছেন সবার প্রিয় এই মানুষটি।
]]>ইনস্টাগ্রাম পোস্ট থেকে কোহলী কত টাকা আয় করেন শুনলে চমকে যেতে পারেন। ভারতীয় অধিনায়ক লকডাউনের সময়টায় ইনস্টাগ্রামের স্পন্সরড পোস্ট থেকে আয়ে বিশ্বের শীর্ষ ১০ ধনী অ্যাথলেটের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছেন।
অ্যাটেইন (Attain) সংগৃহীত উপাত্ত অনুযায়ী, ইনস্টাগ্রামের ১০ সেরা উপার্জনকারী ক্রীড়াবিদের তালিকায় কোহলি আছেন ৬ নম্বরে। গত ১২ মার্চ থেকে ১৪ মে পর্যন্ত করোনাভাইরাস মহামারির কারণে সারাবিশ্ব যখন লকডাউন, তখন বাসায় বসেই অবিশ্বাস্য আয় করেছেন তিনি।
তালিকা অনুযায়ী, কোহলি তার স্পন্সরড পোস্টের মাধ্যমে মোট আয় করেছেন ৩৭৯,২৯৪ পাউন্ড। এর মধ্যে প্রতি পোস্ট থেকে আয় ১২৬,৪৩১ পাউন্ড। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৩৬ লাখ ২৬ হাজার টাকার মতো। সবমিলিয়ে প্রায় ৪ কোটি ৮ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। ভাবা যায়!
ইনস্টাগ্রামে আয়ের এই তালিকায় শীর্ষে আছেন পর্তুগিজ ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তিনি মোট আয় করেছেন ১.৮ মিলিয়ন পাউন্ড ( প্রায় ১৯ কোটি ৩৯ লাখ ৪৮ হাজার টাকা)। দুই নম্বরে থাকা আর্জেন্টাইন খুদেরাজ লিওনেল মেসির আয় ১.২ মিলিয়ন পাউন্ড (প্রায় ১২ কোটি ৯৩ লাখ ৩২ হাজার টাকা)। আর ১.১ মিলিয়ন (প্রায় ১১ কোটি ৮৫ লাখ ৫৪ হাজার টাকা) আয়ে তিন নম্বরে ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমার।
এছাড়া সেরা পাঁচে আছেন আমেরিকান বাস্কেটবল গ্রেট শাকুইল ও’নিল (৫৮৩,৬২৮ পাউন্ড) এবং সাবেক ইংলিশ ফুটবল কিংবদন্তি ডেভিড বেকহ্যাম (৪০৫,৩৫৯ পাউন্ড)।
কোহলির পর আছেন সুইডিশ ফুটবলার জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ (১৮৪, ৪১৩ পাউন্ড), আমেরিকান সাবেক এনবিএ তারকা ডোয়াইন ওয়েড (১৪৩,১৪৬ পাউন্ড), ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার দানি আলভেজ (১৩৯,৬৯৪ পাউন্ড) এবং ব্রিটিশ বক্সার অ্যান্থনি জশোয়া (১২১,৫০০ পাউন্ড)।
]]>মূল্যসূচকের পাশাপাশি বাড়ছে লেনদেন। সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার প্রধান বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৭৩০ কোটি ৫৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। বুধবার এই বাজারে ৬৫৭ কোটি টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছিল।
লেনদেনের পাশাপাশি মূল্যসূচকের বড় উত্থানও হয়েছে এই বাজারে। ডিএসই প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৮৪ পয়েন্ট বা প্রায় ২ শতাংশ; অবস্থান করছে ৪ হাজার ৫৬৪ পয়েন্টে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ১৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ৪৫ পয়েন্টে এবং ডিএস৩০ সূচক ২০ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৩৬ পয়েন্টে।
বৃহস্পতিবার ডিএসইতে ৩৫৬টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ২৫৯টির, কমেছে ৬৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩২টির।
অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২৬৯ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৩ হাজার ৯০৩ পয়েন্টে। ৭৩ কোটি ২৭ লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে।
লেনদেন হয়েছে ২৬০টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৯৪ টির, কমেছে ৪২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৪টির দর।
সোমবার পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের জন্য সরকার ব্যাংকগুলোকে বিশেষ তহবিল যোগানোর ঘোষণা দেওয়ায় মঙ্গলবার দুই বাজারেই মূল্যসূচকে বড় উত্থান ঘটে; বাড়ে লেনদেনের পরিমাণ।
বুধবারও লেনদেনের পাশপাশি সূচক বাড়ে।
জানুয়ারিতে পুঁজিবাজারে বড় ধসের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপে সপ্তাহ খানেক সূচকে উন্নতি দেখা গেলেও তা স্থায়ী হচ্ছিল না। শেষ ৭ কার্যদিবসের প্রায় ১০০ পয়েন্ট কমে যায় ডিএসইর প্রধান সূচক।
এরই মধ্যে সোমবার পুঁজিবাজার চাঙ্গা করতে দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনার আওতায় ব্যাংকগুলোকে বিশেষ তারল্য সুবিধা ও নীতিসহায়তা দেওয়ার ঘোষণা আসে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষণায় বলা হয়, এখন থেকে যে কোনো ব্যাংক তার নির্ধারিত সীমার বাইরেও পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের জন্য ২০০ কোটি টাকার ‘বিশেষ তহবিল’ গঠন করতে পারবে।
ব্যাংকগুলো নিজস্ব অর্থে এই তহবিল গঠন করতে পারবে। তা না পারলে ট্রেজারি বিল/ট্রেজারি বন্ড রেপোর মাধ্যমে তারা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে তহবিল গঠন করতে পারবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. বদরান আল উমরের উপস্তিতিতে প্রতিভাবান এ শিক্ষার্থীদের হাতে সনদ ও পুরস্কার তুলে দেয়া হয়।
রহমত উল্লাহ গত শিক্ষাবর্ষেও এই পুরস্কার অর্জন করেন। তিনি নরসিংদী জেলার রায়পুরের শিবপুর গ্রামের আনোয়ারুল হকের কনিষ্ঠ সন্তান।
মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ১৪৩৯-৪০ হিজরি শিক্ষাবর্ষে ফ্যাকাল্টিসমূহে সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত ১৮৭ ছাত্রছাত্রীকে ডিনশিপ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে।
প্রত্যেক ফ্যাকাল্টি থেকে সর্বোচ্চ নম্বরধারী ৫ জন করে ছাত্রছাত্রী বাছাই করা হয়। এদের মধ্যে সৌদি ছাত্রছাত্রী ছাড়াও আটজন বিদেশি ছাত্র এ অ্যাওয়ার্ডের সৌভাগ্য অর্জন করেন।
উল্লেখ্য, আরব বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কিং সউদ বিশ্ববিদ্যালয়। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামী শিক্ষা, বিজ্ঞান, কলা, প্রকৌশল, আরবি ভাষা, পর্যটন ও মনোবিজ্ঞান ইত্যাদি বিভাগে অন্তত ৩৫ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী অনার্স, মাস্টার্স, পিএইচডিসহ বিভিন্ন শিক্ষা স্তরে অধ্যয়নরত।
]]>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গাজীপুরে স্থাপিত অপোর মোবাইল সংযোজন কারখানায় প্রতি বছর তৈরি হবে ১০ লাখ স্মার্টফোন। বাংলাদেশে স্থাপিত অপোর এই স্মার্টফোন কারখানায় বেশ কিছু মডেলের স্মার্টফোন তৈরি করা হবে। ফলে স্মার্টফোন নিয়ে নতুন সব উদ্ভাবন আরও সহজেই গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। অপোর এ বিনিয়োগ বাংলাদেশের ভাবমূর্তি যেমন উজ্জ্বল করবে, তেমনই প্রযুক্তি খাতে কর্মসংস্থানেরও সুযোগ তৈরি করবে। বাংলাদেশে স্থাপিত এই কারখানাটি বিশ্বে অপোর দশম স্মার্টফোন কারখানা।
বেনলি ইলেকট্রনিক এন্টারপ্রাইজ কোম্পানি লিমিটেড নামে স্থাপিত এই স্মার্টফোন কারখানায় দুই শতাধিক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। দেশের বাজারের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশের বাজারেও বাংলাদেশে তৈরি স্মার্টফোন রপ্তানির পরিকল্পনা রয়েছে অপোর। প্রাথমিকভাবে এ কারখানায় অপো এ৫এস এবং এ১কে তৈরি করা হবে।
বর্তমানে বাংলাদেশের বাজারে প্রতি মাসে ১০ লাখ নতুন হ্যান্ডসেটের চাহিদা রয়েছে। ক্রমবর্ধমান এ চাহিদার কথা মাথায় রেখেই দেশের বাজারে স্মার্টফোন কারখানা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অপো।
দেশের বাজারে স্মার্টফোন কারখানা স্থাপন প্রসঙ্গে অপো বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডেমন ইয়াং বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিধি দ্রুত বাড়ছে। ডিজিটাইজেশনের দিক থেকেও নেতৃত্বের আসনে রয়েছে দেশটি। ফাইভজি প্রযুক্তি চালুর ক্ষেত্রেও প্রথম সারিতেই থাকতে চায় বাংলাদেশ।
ফলে এখানে স্মার্টফোন সংযোজন কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে অপো গ্রাহকদের হাতে আরও সাশ্রয়ী দামে স্মার্টফোন তুলে দিতে সক্ষম হবে যা দেশজুড়ে মানুষের কাছে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা প্রদানে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। এছাড়া অপোর এ বিনিয়োগের ফলে এখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ যেমন তৈরি হবে, তেমনই দেশে প্রযুক্তিতে দক্ষ কর্মীও গড়ে তুলবে।’
]]>প্রকল্পের মেয়াদ : এপ্রিল, ২০১৪-মার্চ, ২০১৯
প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমাণ : ৯৪৮৭.৫৯ লক্ষ টাকা
কৃষি ও খাদ্য উৎপাদনের পাশাপাশি বিআরডিবি দারিদ্র্য বিমোচনের মাধ্যমে পল্লীর অতিদরিদ্র এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে বিভিন্নমুখী প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। ফলশ্রুতি হিসেবে দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং আয়বর্ধনমূলক কর্মকান্ডে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক পরিবর্তন সূচিত করেছে। আয়বৃদ্ধির মাধ্যমে ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি, জীবন যাত্রার মানোন্নয়ন এবং সামাজিক ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বর্তমানে বিআরডিবি ব্যাতিক্রমধর্মী বেশ কিছু প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। ‘‘উত্তরাঞ্চলের দরিদ্রদের কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণ কর্মসূচি (২য় পর্যায়) এমনি একটি ব্যতিক্রমধর্মী দারিদ্র্য বিমোচন মূলক প্রকল্প।
উদ্দেশ্য
(১) প্রকল্প এলাকার দারিদ্র্যপীড়িত ৩৫টি উপজেলার দরিদ্র পুরুষ ও মহিলাদের স্বকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে তাঁদেরকে কর্মদক্ষ করে গড়ে তোলা;
(২) প্রকল্প এলাকার মৌসুমী অভাবগ্রস্ত দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সংগঠিত করে আয়বর্ধনমূলক কর্মসূচি গ্রহণের মাধ্যমে উৎপাদনমূখী আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি;
(৩) স্বকর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে সামাজিক এবং খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারকরণ;
(৪) স্থানীয় জনশক্তি ও স্থানীয় সম্পদের সর্বাধিক ব্যবহারের মাধ্যমে জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন নিশ্চিত করা;
(৫) অভিষ্ট জনগোষ্ঠীর জন্য তাদের মূল পেশার পাশাপাশি স্বকর্মসংস্থানের নতুন নতুন ক্ষেত্র সৃষ্টি করা;
(৬) বিপণন Linkage সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রশিক্ষিত উপকারভোগীদের সমন্বয়ে দলগঠন;
(৭) উপকারভোগীদের জন্য কাঁচামাল প্রাপ্তি সহজলভ্য করা এবং Market Linkage গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিভাগীয় শহরে প্রদর্শনী কাম বিক্রয়কেন্দ্র স্থাপন;
(৮) স্বল্প সেবামূল্যের বিনিময়ে (বাৎসরিক মাত্র ৬% হারে) উপকারভোগী সদস্যদের মধ্যে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান;
]]>