Awin
পরিবার কল্যাণ কর্মীরা মাঠ পর্যায়ে বাড়ি বাড়ি পরিদর্শনের মাধ্যমে পরিবার পরিকল্পনা সেবা, মা ও শিশু স্বাস্থ্য এবং কিশোর-কিশোরী পরামর্শ সেবা, স্যাটেলাইট ক্লিনিক আয়োজন, ইপিআই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ, কমিউনিটি ক্লিনিকে সেবাদান, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে সেবাদান, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবাদান ইত্যাদি কার্যক্রম করোনার সময়েও চলমান রয়েছে। ঝুঁকি নিয়ে মেডিকেল অফিসার, উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার, নার্স, পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা, পরিবার কল্যাণ সহকারী এবং পরিবার কল্যাণ পরিদর্শকরা সুরক্ষাসামগ্রী ব্যবহার করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সেবা কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্নভাবে চালিয়ে যাচ্ছেন। এই সময়েও গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়ের সেবা কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলমান রাখতে সামাজিক দূরত্ব মেনে স্যাটেলাইট ক্লিনিক পরিচালনা করা হচ্ছে। ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রত্যেকটা সেবা কেন্দ্রের কার্যক্রম তদারকি করে পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের ‘অপারেশনাল কমিটি’। এছাড়া সেবা দিতে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের পরিবারকে সার্বিক সহযোগিতায় কুইক রেসপন্স টিম গঠন করা হয়। যারা করোনায় আক্রান্ত পরিবারকে সার্বিক সহযোগিতা করবেন।
সরেজমিনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন ও দেশের বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, করোনা দুর্যোগের মধ্যেই বাড়ি বাড়ি গিয়ে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনের কাজ করছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। সরকারের টিকাদান কর্মসূচিতেও নিয়োজিত তারা। দেশের মানুষের সেবায় নিবেদিত কর্মীরা প্রতিদিন সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়েই কাজ করছেন।
]]>বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে ভৈরব স্টেশনের আউটার সিগন্যাল পয়েন্টে ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়।
ভৈরব রেলওয়ে সূত্র জানায়, ময়মনসিংহ থেকে চট্টগ্রামগামী ‘নাসিরাবাদ এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি দুপুর সোয়া ১টার দিকে ভৈরব স্টেশনের আউটার সিগন্যাল পয়েন্টে ঢোকার সময় দুটি বগির চারটি চাকা লাইনচ্যুত হয়। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
খবর পেয়ে ভৈরব রেলওয়ের প্রকৌশলীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রেনের চাকা উদ্ধারের কাজ শুরু করেছে।
এদিকে দুর্ঘটনার কারণে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা আন্তনগর বিজয় এক্সপ্রেস ও ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা আন্তনগর কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনটি ভৈরব স্টেশনে আটকা পড়েছে। ময়মনসিংহ থেকে আসা একটি লোকাল ট্রেন কুলিয়ারচর স্টেশনে থেমে আছে।
ভৈরব রেলওয়ের প্রকৌশলী জিসান দত্ত জানান, ট্রেনের চাকা উদ্ধার করতে রিলিফ ট্রেনের প্রয়োজন হবে না। স্থানীয়ভাবে আমরা এক/দেড় ঘণ্টার মধ্য লাইনচ্যুত চাকা উদ্ধার করতে পারব। এরপরই ট্রেন চলাচল শুরু হয়ে যাবে বলে তিনি জানান।
]]>খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, হঠাৎ করে পরিবহন ধর্মঘটের ফলে নারয়ণগঞ্জ রেলস্টেশন, চাষড়া রেলস্টেশনে ঢাকাগামী যাত্রীর ভিড় বাড়তে থাকে। ৯টা ৩০ মিনিটের ট্রেন ছাড়ে সোয়া ১০টায়।
ঢাকামুখী কর্মজীবী সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা পড়েছেন বিপাকে। আর তাই জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প পথ হিসেবে তারা বেছে নিয়েছেন ট্রেনকে আর এতেই উপচে পড়া ভীড় সৃষ্টি হয়েছে ট্রেনের প্রতিটি বগিতে।
সকাল থেকেই যানবাহন না পেয়ে এবং পরিবহণের ধর্মঘটের সংবাদে ঢাকামুখী সকলেই ট্রেন স্টেশনে এসে হাজির হন। এতে করে সকাল থেকেই ভীড় দেখা যায় প্রতিটি স্টেশনে।
ঢাকামুখী চাকুরিজীবী রহমান মিয়া জানান, আমি ব্যাংকার। আমাকে যতকিছুই হোক যেতেই হবে অফিসে। সড়ক ধর্মঘট দেখে তাই এখানে চলে এলাম, ট্রেন করেই অফিসে যেতে হবে। ভীড় অনেক তবুও কষ্ট মেনেই যেতে হচ্ছে।
নারয়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় রেলওয়ের স্টেশন মাষ্টার গোলাম মোস্তফা জানান, সড়ক পরিবহন শ্রমিকদের ধর্মঘটে উপচে পড়া ভীড়ের কারণে সব লাইনে ক্লিয়ারেন্স নিয়ে ট্রেন ছাড়তে কিছুটা সিডিউল বিপর্যয় হয়েছে।
]]>রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল-মামুন বলেন, গত ১নভেম্বর সন্ধ্যায় উপজেলার গোনা ইউনিয়নের বড়বড়িয়া নামক স্থানে প্রচণ্ড গরমে রেললাইনের একটি অংশ ভেঙে যায় এবং ওই এলাকার একদল ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা সেই ভাঙা অংশ দেখতে পায়। তার একটু পরে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা দিনাজপুরগামী আন্তঃনগর একতা এক্সপ্রেস ট্রেন ঘটনাস্থল অতিক্রম করার আগেই তারা মোবাইল ফোনের আলো লাল জ্বালিয়ে, গায়ে শার্ট, গামছা, গেঞ্জি যার কাছে যা ছিলো সেটা বাঁশের কঞ্চিতে বেধে সংকেত দিয়ে ট্রেন থামায়। তাদের এই তাৎক্ষণিক বুদ্ধির কারণে ট্রেনে থাকা কয়েক হাজার যাত্রী বড় ধরনের দুর্ঘটনার হাত থেকে প্রাণে বেঁচে যায়।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তদন্ত করে সেই সব শিক্ষার্থীদের তালিকা করা হয়েছে। সেই সাহসী শিক্ষার্থীরা হলো, উপজেলার পশ্চিম গবিন্দপুর (বড়বড়িয়া) গ্রামের ৭ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী তাইম ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম লেবুর ছেলে বাধন (২১), একই গ্রামের বাবুর আলীর ছেলে আরিফ (২১), সাইফুল ইসলাম টিক্কার ছেলে রাকিব খান (২০), বড়বড়িয়া গ্রামের হাফিজুর ইসলামের ছেলে হিমেল (১১), গবিন্দপুর (সাতানী) গ্রামের উজ্জল হালদারের ছেলে অন্তর (১১), ধীরেশ চন্দ্র হালদারের ছেলে বিপ্লব ও (১৩) মামুন হোসেনের ছেলে ইব্রাহীম (১১)।
এই সংবাদটি জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকা ও অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশের পর সেই সাহসী শিক্ষার্থীদের জেলা প্রশাসন সাহসিকতায় বীরত্বপূর্ণ কাজের পুরস্কার ও সনদপত্র প্রদান করবেন। আগামী ১১ নভেম্বর (সোমবার) জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় তাদেরকে এই সম্মাননা প্রদান করা হবে।
]]>বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মহিবুল হক এই তথ্য জানান। তিনি আজ বৃহস্পতিবার প্রথম আলোকে বলেন, বিমানের পরিচালনা বোর্ডের অনুরোধে সরকার মোকাব্বির হোসেনকে এমডি ও সিইও পদে নিয়োগ দিয়েছে। তাঁর এই নিয়োগ অবিলম্বে কার্যকর হবে। সম্ভবত আগামী রোববার তিনি নতুন পদে যোগ দেবেন।
চাকরির মেয়াদ এক মাস বাকি থাকতে গত ৩০ এপ্রিল পদত্যাগ করেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মোসাদ্দেক হোসেন। তাঁর পদত্যাগের পর ভারপ্রাপ্ত এমডির দায়িত্ব পান বিমানের পরিচালক (ফ্লাইট অপারেশনস) ক্যাপ্টেন ফারহাত হাসান জামিল।
মোকাব্বির হোসেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের (বিমান ও সিএ) দায়িত্বে আছেন।
বিমানের এমডি, সিইও ও উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) পদে নিয়োগের জন্য গত ১২ মার্চ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল গত ১৫ এপ্রিল। ১২ জন বিদেশিসহ প্রায় ৭০ জন প্রার্থী আবেদনপত্র জমা দেন। আবেদনপত্র থেকে একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা করা হয়। গত ৩ সেপ্টেম্বর বিমানের বোর্ড মিটিংয়ে এমডি ও সিইও পদে নিয়োগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা পিছিয়ে দেওয়া হয়। বিমানের পরিচালনা বোর্ডের অনুরোধে সরকার এখন অতিরিক্ত সচিব মোকাব্বির হোসেনকে এমডি ও সিইও পদে নিয়োগ দিল।
]]>সততার পরিচয় দেয়া রিকশাচালক এখন প্রশংসায় পঞ্চমুখ। সৎ মানুষ এখনও আছে বলেই এ সমাজটি টিকে আছে বলে মন্তব্য করেছেন সচেতনরা।
রিকশাচালক সাজ্জাদ হোসেন নওগাঁ শহরের জনকল্যাণ হঠাৎপাড়ার ওয়াহেদ আলীর ছেলে।
এদিকে সদ্য যোগদানকৃত পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান মিয়া বিপিএম উদ্ধারকৃত টাকা সদর থানায় নিয়ে এসে মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে টাকার মালিক নওগাঁ কেডি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আবদুল হাকিমকে ফিরিয়ে দিয়েছেন। ওই রিকশাচালককে ‘পুলিশ কল্যাণ ফান্ড’ থেকে পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন এসপি।
জানা যায়, গত ৬ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টার দিকে শিক্ষক আবদুল হাকিম সপরিবারে রাজশাহী যাওয়ার উদেশে শহরের মুক্তির মোড় থেকে ব্যাটারিচালিত রিকশায় শহরের বালুডাঙা বাসস্ট্যান্ড যান।
রাজশাহীর বাসে উঠে বাসস্ট্যান্ড থেকে একটু দূরে গিয়ে মনে হয়, তার সঙ্গে থাকা কম্পিউটার ব্যাগের মধ্যে তিন লাখ টাকা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ রিকশায় ছাড়া পড়েছে।
সঙ্গে সঙ্গে বাস থেকে নেমে বাসস্ট্যান্ডে এসে রিকশাটি খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে সদর থানায় একটি অভিযোগ করেন।
অভিযোগ পেয়ে সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইব্রাহিম হোসেন শহরের ভেতর দিয়ে যাওয়া প্রধান সড়কের পাশে অবস্থিত ‘সদর থানা, সুন্দরবন কুরিয়া সার্ভিস, ইসলামিয়া ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতাল লিমিটেড ও নেক্সাস শোরুমসহ’ কয়েকটি স্থানের সিসি টিভি ক্যামেরা থেকে ফুটেজ সংগ্রহ করে ওই রিকশাচালককে শনাক্ত করা হয়।
এর পর তার নাম ও ঠিকানা সংগ্রহ করা হয়। গত ৯ সেপ্টেম্বর রাত ১১টার দিকে থানা পুলিশ ও টাকার মালিকসহ ওই রিকশাচালকের বাড়ি থেকে অক্ষত অবস্থায় এক হাজার টাকা নোট (তিন বান্ডিলে তিন লাখ টাকা) উদ্ধার করা হয়।
এদিকে রিকশাচালক ওই টাকাগুলো নিয়ে বিপাকে পড়েছিলেন। টাকার ব্যাগ নিয়ে তিনি তিন দিন মুক্তির মোড়ে ঘুরেও মালিককে না পেয়ে বাড়িতে রেখে দেন। পুলিশ তার বাড়িতে গেলে তিনি বিষয়টি বুঝতে পেরে টাকার ব্যাগটি ফিরিয়ে দেন।
রিকশাচালক সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ওই দিন তারা তড়িঘড়ি করে রিকশা থেকে নেমে যান। পরে দেখি রিকশায় একটি ব্যাগ। এর পর ব্যাগটি বাড়িতে নিয়ে এসে দেখি অনেক টাকা। টাকাগুলো নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে যাই।
গরিব মানুষ, টিনের বেড়ার ঘর। টাকাগুলো হারিয়ে গেলে হয়তো বিপদ হবে। এ জন্য তিন দিন মুক্তির মোড়ে ঘুরেও টাকার মালিককে পাওয়া যায়নি। টাকাগুলো ফিরিয়ে দিয়ে এখন হালকা মনে হচ্ছে।
টাকা হস্তান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মুহাম্মদ রাশিদুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) লিমন রায়, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ সোহরাওয়ার্দী হোসেন, ফয়সাল বিন আহসান, এসআই ইব্রাহিম হোসেন, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ইলিয়াস তুহিন রেজা ও টাকার মালিক আবদুল হাকিম।
এ সময় পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান মিয়া বিপিএম বলেন, আপনারা যারা সম্পদ বহন (ক্যারি) করবেন সাবধানে বহন করবেন। আমরা ইতিমধ্যে মানি স্কট ব্যবস্থা চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
১০ লাখ টাকা যদি কেউ পরিবহন করতে চান, তাদের পুলিশি পাহারায় পৌঁছে দেয়া হয়। এ ক্ষেত্রে কোনো খরচ পুলিশকে দিতে হবে না। মানে বিনাখরচে জনগণ সেবা পাবেন।
]]>