Awin
এর আগে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য কবির মরদেহ বাংলা একাডেমিতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।
দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কবির মরদেহ একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে নেয়া হয়। সেখানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ অংশ নেয়।
কবির বড় ছেলে শরিফ মাহমুদ জানান, ‘বাবাকে মগবাজারের বাসা থেকে গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মোড়াইল গ্রামে নিয়ে যাওয়া হবে। আগামীকাল (রবিবার) বাদ জোহর সেখানেই তাকে দাফন করা হবে।’
শুক্রবার রাত ১১টার পর বার্ধক্যজনিত কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান কবি আল মাহমুদ। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
৯ ফেব্রুয়ারি রাতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন কবি আল মাহমুদ। তাকে ধানমণ্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। তিনি অধ্যাপক ডা. মো. আবদুল হাইয়ের তত্ত্বাবধানে ছিলেন। অবস্থা আরও গুরুতর হলে শুক্রবার তাকে ‘লাইফ সাপোর্ট’ দেয়া হয়। পরে রাত ১১টা ৫ মিনিটে তিনি মারা যান।
কবি আল মাহমুদের পুরো নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ। ১৯৩৬ সালের ১১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার মোড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মীর আবদুর রব ও মাতার নাম রওশন আরা মীর। তার দাদা আবদুল ওহাব মোল্লা হবিগঞ্জ জেলায় জমিদার ছিলেন।
তিনি একাধারে একজন কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক এবং সাংবাদিক।
সুত্র : পরিবর্তন
]]>