Awin
বিবিসি জানিয়েছে, শনিবার রাতে (স্থানীয় সময়) চীনের সীমান্তবর্তী শহর ড্যানডংয়ে পৌঁছেছেন তিনি।
ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হবেন কিম। বুধ ও বৃহস্পতিবার দু’দিনব্যাপী এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে গত বছরের জুনে সিঙ্গাপুরে প্রথমবারের মতো বৈঠক করেন ট্রাম্প ও কিম। তারপর থেকেই এই দুই নেতার মধ্যে পরবর্তী বৈঠক নিয়ে জল্পনা চলছিল।
বিশ্বের সবার নজর এখন তাদের এই দ্বিতীয় বৈঠকের ওপর। কোরীয় দ্বীপে পরমাণু নিরস্ত্রিকরণের বিষয়ে কোন উন্নতি ঘটে কিনা সে বিষয়ে আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছেন সবাই।
উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে কিমের উত্তর কোরিয়া থেকে ভিয়েতনামের উদ্দেশে রওনা দেয়ার খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। কিমের সঙ্গে থাকছেন তার বোন কিম ইয়ো জং এবং কিমের অন্যতম প্রধান আলোচক সাবেক জেনারেল কিম ইয়ং চোল।
গত বছরের সেপ্টেম্বরে এক সমাবেশে কিম সম্পর্কে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, আমরা প্রেমে পড়ে গেছি। তিনি আমাকে খুব সুন্দর চিঠি লিখেছেন। তারপরেই তাদের দু’জনের মধ্যে দ্বিতীয় বৈঠকের সম্ভাবনা দেখা দেয়।
এর আগে গত ৫ ফেব্রুযারি মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে বার্ষিক স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণে এ বৈঠকের ঘোষণা দেন ট্রাম্প। ভাষণে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, আগামী ২৭ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি ভিয়েতনামে কিমের সঙ্গে দেখা হবে তার ।
কিমের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের বন্দিরা বাড়িতে ফিরে এসেছে, পরমাণু পরীক্ষা বন্ধ হয়েছে। গত ১৫ মাসের মধ্যে একটি ক্ষেপণাস্ত্রও ছোড়া হয়নি।
তিনি বলেন, ‘আমি যদি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত না হতাম, এখন আমরা, আমার মতে, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে একটি বড় ধরনের যুদ্ধে লিপ্ত থাকতাম। কিম জং উনের সঙ্গে আমার সম্পর্ক একটি ভালো বিষয়। কিন্তু আরও অনেক কাজ করতে হবে আমাদের।’
সুত্র : রাইজিংবিডি
]]>প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো সৌদি আরবের কাছে পারমাণবিক প্রযুক্তি হস্তান্তরের জন্য চাপ দিচ্ছে। সৌদি আরবে পারমাণবিক চুল্লি নির্মাণে হোয়াইট হাউজের এই পরিকল্পনার বিষয়টি তদন্ত শুরু করেছে ডেমোক্রেট সংখ্যাগরিষ্ঠ কংগ্রেস। পারমাণবিক অস্ত্রের এই বিস্তার মধ্যপ্রাচ্যকে অচল করে দিতে পারে বলে গোপন তথ্য ফাঁসকারীরা কংগ্রেসকে জানিয়েছে।
মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে পর্যবেক্ষণ কমিটি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, এ বিষয়ে তদন্ত বিশেষভাবে জটিল, কারণ যুক্তরাষ্ট্রের স্পর্শকাতর পারমাণবিক প্রযুক্তি সৌদি আরবের কাছে হস্তান্তর প্রক্রিয়া চালু হতে যাচ্ছে। ১২ ফেব্রুয়ারি হোয়াইট হাউজে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পারমাণবিক শক্তি উন্নয়নে যারা কাজ করছেন তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে তিনি সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে পারমাণবিক চুল্লি নির্মাণের বিষয়ে আলোচনা করেছেন। ট্রাম্পের জামাতা ও হোয়াইট হাউজের উপদেষ্টা জেরাড কুশনার চলতি মাসে ট্রাম্প প্রশাসনের শান্তি পরিকল্পনার অর্থনীতি নিয়ে আলোচনার জন্য মধ্যপ্রাচ্য সফরে যাবেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, সৌদি আরব বলেছে তারা বহুমুখী উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং ক্রমবর্ধমান বৈদ্যুতিক চাহিদা মেটাতে পারমাণবিক শক্তি অর্জন করতে চায়। তবে আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী ইরানের পারমাণবিক প্রযুক্তি উন্নয়নের কারণেই যে সৌদি আরবকে পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জনের পথে চালিত করছে তা বলাই বাহুল্য।
সুত্র : রাইজিংবিডি
]]>