Awin
এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএফডিসির ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক লক্ষন চন্দ্র দেবনাথ, সৈয়দ হাসান ইমাম, চিত্রনায়ক আলমগীর, চিত্রনায়িকা অঞ্জনা, পরিচালক মুশফিকুর রহমান গুলজার, বদিউল আলম খোকন, চিত্রনায়ক জায়েদ খান, রাউন্ড দ্য ক্লকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সালমান মাহমুদসহ অনেকে।
জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক সৈয়দ হাসান ইমাম বলেন, ‘এবারের চলচ্চিত্র দিবস জাঁকজমকভাবে দুই দিনব্যাপী পালন করতে চাচ্ছি। সকাল থেকেই সিনিয়র শিল্পীসহ চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা এফডিসিতে উপস্থিত থাকবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর শোভাযাত্রায় অংশ নিবেন চলচ্চিত্রের কলাকুশলীরা। এরপর দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে নির্মিত সিনেমা প্রদর্শন করা হবে।’
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান বলেন, ‘চলচ্চিত্রের সকল শিল্পীদেরকে আমরা এরই মধ্যে চিঠি দিয়েছি। এবারের চলচ্চিত্র দিবসে শিল্পীরা উপস্থিত থেকে দিনটি উদযাপন করবেন বলে আশা করছি।’
তথ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) তত্ত্বাবধানে বিএফডিসি চত্বরে এদিন সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করা হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সাংসদ হাসানুল হক ইনু, আকবর হোসেন পাঠান ফারুক, তথ্য সচিব আবদুল মালেক। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করবেন সৈয়দ হাসান ইমাম।
বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে উদযাপিত হবে দিবসটি। চলচ্চিত্রের বিভিন্ন দিক নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা ও সেমিনার। ‘বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের বর্তমান অবস্থা এবং উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক সেমিনার বিকাল ৩টায় বিএফডিসির ৮ নং শুটিং ফ্লোরে অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ ও সংসদ সদস্য সুবর্ণা মুস্তাফা, তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল মালেক।
এ ছাড়াও থাকছে শোভাযাত্রা, স্মরণিকা প্রকাশ, লাইভ টক শো, লাল গালিচা সংবর্ধনা, মেলা, স্থিরচিত্র প্রদর্শনী, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, পুতুল নাচ, নাগরদোলা, বায়োস্কোপ ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। এই ইভেন্টের দায়িত্বে রয়েছে রাউন্ড দ্য ক্লক।
সুত্র : রাইজিংবিডি
]]>মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিভাগীয় নগরী রংপুরে মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন সংগঠন শহীদ স্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন করে।
মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত দেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে ময়মনসিংহে জাতির সূর্য্য সন্তানদের ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান হয়।
গাজীপুরে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছে।
সকল যুদ্ধাপরাধীর বিচার দ্রুত সম্পন্ন করার দাবির মধ্যে দিয়ে জামালপুরে পালিত হচ্ছে মহান স্বাধীনতা দিবস।
সূর্যোদয়ের সাথে সাথে মেহেরপুরের কলেজ মোড়ে অবস্থিত শহীদ স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধ্যা জানানো হয়।
চুয়াডাঙ্গায় শহীদ হাসান চত্বরে ও ঝিনাইদহ সদর থানার চত্বরে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্যদিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়।
যথাযথ মর্যাদায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া, টাঙ্গাইল ও মাগুরায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন করা হচ্ছে।
সুত্র : একুশে টেলিভিশন
]]>দিবসটি পালনে ইতিমধ্যেই সৌধ চত্ত্বরের সৌন্দর্য বর্ধনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সম্পন্ন হয়েছে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় সম্মান নিবেদনে তিনবাহিনীর কসরত। কড়া নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলে স্থানীয় পুলিশও প্রস্তুত দিবসটি পালনে।
স্বাধীনতার জন্য লড়াই করা বীরদের বীরত্বের স্মরণ এবং বীর শহীদের প্রতি জাতির কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও শ্রদ্ধা নিবেদনে ঢাকার অদূরে সাভারে নির্মিত হয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধ।
নাম জানা-অজানা লাখো বীর শহীদদের স্মরণে নির্মিত পবিত্র স্থানটির সৌন্দর্য বর্ধনে ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার আর রং-তুলির আচঁড়ে রাঙানো হয়েছে। কেটে-ছেটে পরিষ্কার করা হয়েছে ঝোপঝাড়, গাছ-গাছালি ও বুনো ঘাসের জঞ্জাল। সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ল্যাম্প পোষ্টের বাতি। সৌন্দর্য বর্ধণ করা হয়েছে স্মৃতির মিনার, ফুল বাগান, পুস্পবেদী, গণসমাধি, কৃত্রিম হ্রদ, হেলিপ্যাড, অভ্যথর্না কেন্দ্র, উন্মুক্ত মঞ্চ, মসজিদসহ সৌধ চত্ত্বরের সকল স্থাপনার। সৌন্দর্য বর্ধনের সকল কাজ শেষে ফুলে ফুলে সুশোভিত স্মৃতিসৌধ এখন প্রস্তুত। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে কাল ২৬ মার্চ এখানে ঢল নামবে লাখো দেশপ্রেমিক জনতার।
জাতীয় স্মৃতিসৌধের দায়িত্বে নিয়োজিত গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো: মিজানুর রহমান জানান, প্রতিবছরই স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধকে বর্ণিল করে তোলা হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
মিজানুর রহমান জানান, এবার ৪৯তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন করবে গোটা জাতি। স্বাধীনতা দিবসের প্রত্যৃষে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। এরপর দলীয় প্রধান হিসেবে নেতা-কর্মীদের আরও একবার শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে জাতীয় সংসদের স্পিকার, বিরোধী দল, মন্ত্রীপরিষদ সদস্য, কূটনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সরকারি-বেসরকারি সংস্থার প্রধানগণ শ্রদ্ধা জানাবেন। এরপরই স্মৃতিসৌধের মূল ফটক খুলে দেওয়া হবে সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য।
স্বাধীনতা দিবসে মানুষের ঢল নামে জাতীয় স্মৃতিসৌধে, তাই নিরাপত্তা জোরদারে আগাম প্রস্তুতি নিয়েছে ঢাকা জেলা পুলিশ। প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতিসহ সকল দর্শনার্থীর নিরাপত্তা বিধানে পুরো স্মৃতিসেীধে অতিরিক্ত পুলিশ ছাড়াও র্যাব, সেনা সদস্য মোতায়েন থাকবে। সিসিটিভির মাধ্যমেও নজরদারি থাকবে পুলিশের। আইন মেনে দর্শনার্থীদের স্মৃতিসৌধে প্রবেশ করতে হবে।
স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা নিবেদনের মূল পর্বটি সম্পন্ন হয় তিনবাহিনীর অংশগ্রহণে। তাদেরও প্রস্তুতি শেষ। সব মিলিয়ে পুরোপুরি প্রস্তুত জাতীয় স্মৃতিসৌধ। অপেক্ষা শুধু জাতির শ্রদ্ধা আর ভালবাসায় সিক্ত হওয়ার।
সুত্র : রাইজিংবিডি
]]>