Awin
এভাবেই ফেসবুকে জানিয়েছেন সহকারী পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার হোসেন।

চালকদের ঘুম তাড়াতে মুখ ধোয়ার জন্য গরম পানির এবং চা বিস্কুটের আয়োজন করেছে পুলিশ

চালকদের ঘুম তাড়াতে মুখ ধোয়ার জন্য গরম পানির এবং চা বিস্কুটের আয়োজন করেছে পুলিশ

এতে বলা হয়, এই ‘ট্রাফিক শৃঙ্খলা সপ্তাহ’ কার্যক্রমের মাধ্যমে জনসাধারণকে ট্রাফিক আইন মেনে চলতে উদ্বুদ্ধকরণ ও ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়নের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ ট্রাফিক সপ্তাহ, ট্রাফিক শৃঙ্খলা সপ্তাহ ও ট্রাফিক সচেতনতা মাস পালনের মাধ্যমে ট্রাফিক আইনের কঠোর বাস্তবায়ন ও সচেতনতা বৃদ্ধি করছে। ফলে প্রতিনিয়ত ঢাকা শহরের ট্রাফিক শৃঙ্খলার উন্নতি হচ্ছে।
ডিএমপি জানায়, রাজধানীর যানজট নিরসনে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম হচ্ছে-এমআরটি, বিআরটি এবং এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কার্যক্রমের দৃশ্যমান অগ্রগতি। চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের কারণে যান চলাচলে কিছুটা প্রতিবন্ধকতা তৈরি হলেও ট্রাফিক পুলিশের নিরলস তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
ট্রাফিক আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং ক্রমাগত ট্রাফিক শৃঙ্খলা সংক্রান্ত গৃহীত কর্মসূচির ফলে ঢাকা শহরে ট্রাফিক শৃঙ্খলার উন্নতি এখন অনেকটাই দৃশ্যমান এবং পরিস্থিতির উন্নতি অব্যাহত রাখতে বর্তমানে প্রতিমাসে ট্রাফিক শৃঙ্খলা সপ্তাহ পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং ট্রাফিক শৃঙ্খলা আনার লক্ষ্যে রাজধানীতে গত বছরের ৫ আগস্ট থেকে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত ট্রাফিক সপ্তাহ পালন, একই বছরের ৫ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ট্রাফিক সচেতনতা মাস পালন এবং ২৪ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ট্রাফিক শৃঙ্খলা সপ্তাহ পালন করা হয়।
এ ছাড়া চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ট্রাফিক শৃঙ্খলা পক্ষ পালন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ট্রাফিক সচেতনতা বৃদ্ধি, ট্রাফিক গাইড বুক প্রকাশ ও প্রচার, ট্রাফিক আইন সম্পর্কে ধারণা প্রদান, টার্মিনালে সভা সমাবেশ, সচেতনতামূলক ভিডিও প্রদর্শন, লিফলেট, পোস্টার বিতরণ, পথচারীদের ফুটওভারব্রীজ, আন্ডারপাস ও জেব্রাক্রসিং দিয়ে রাস্তা পারাপারে উদ্বুদ্ধকরণসহ সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছিল।
সুত্র : রাইজিংবিডি
]]>গত বুধবার (২০ ফেব্রুয়ারি) অবৈধভাবে দখলকরা ফুটপাত দখলমুক্ত করার প্রয়াসে গুলিস্তান এলাকায় অভিযান চালিয়ে গুলিস্তান ট্রেড সেন্টার, গুলিস্তান শপিং কমপ্লেক্স, ঢাকা ট্রেড সেন্টার, সুন্দরবন মার্কেট, সার্জেন্ট আহাদ পুলিশ বক্স, বঙ্গবন্ধু পাতাল মার্কেট, গোলাপ শাহ মাজার, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র, বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ ও বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ ফটক এলাকা থেকে সকল প্রকার হকার উচ্ছেদ করে ডিএমপি’র ট্রাফিক পূর্ব বিভাগ।
ট্রাফিক পূর্ব বিভাগের এই অভিযানে হকারমুক্ত হয়েছে গুলিস্তান এলাকার ফুটপাত। নতুন করে বসতে দেয়া হচ্ছে না কোন হকারকে। হকারমুক্ত ফুটপাতে চিত্র ধরে রাখতে ডিএমপি’র পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে ব্যবস্থা। হকার যাতে ফুটপাত ও রাস্তা দখল করে দোকান বসাতে না পারে সেজন্য মোতায়েন রয়েছে পুলিশ।
রাজধানীর গুলিস্তানের মতো ব্যস্ত জায়গায় ফুটপাত দখল থাকার কারণে পথচারীরা ফুটপাত ছেড়ে মূল সড়ক দিয়ে হাঁটতে বাধ্য হন। যার ফলে একদিকে যেমন পথচারীদের চলাচলে বাধাগ্রস্থ হয়, অন্যদিকে রাস্তা দিয়ে হাঁটার ফলে সৃষ্টি হয় যানজট। পথচারীরা যাতে ফুটপাত দিয়ে নিরাপদে চলাচল করতে পারে এবং যানজট নিরসনের বিষয়টি মাথায় রেখে গুলিস্তান এলাকায় চালানো হয় এই হকারমুক্ত অভিযান।
সুত্র : ডিএমপি নিউজ
]]>বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ঢাকার ডিআইজি (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ডিসিপ্লিন) হাবিবুর রহমান আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
পুলিশ সুপার আসমা সিদ্দিকা মিলির সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আলোচনা সভায় অংগ্রহণ করেন, জেলা প্রশাসক মো: শওকত আলী, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফকির আবদুল জব্বার, যুগ্ম কর কমিশন আয়সা সিদ্দিকা সেলি, পৌর মেয়র মোহাম্মদ আলী চৌধুরী প্রমুখ।
সুত্র : নয়া দিগন্ত
]]>বুধবার বিকেলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টা থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করে ফিরে না যাওয়া পর্যন্ত ঢাবি ক্যাম্পাস এলাকায় কার্ডধারী শিক্ষক, ছাত্র, কর্মচারি ব্যতিত কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না।
এ কারণে ওইদিন নীলক্ষেত, পলাশী, ফুলাররোড, বকশিবাজার, চানখারপুল, শহীদুল্লাহ হল, দোয়েল চত্বর, জিমনেশিয়াম, রোমানা চত্বর, হাইকোর্ট, টিএসসি, শাহবাগ ইন্টারসেকশনে রোড ব্লক দিয়ে গাড়ি ডাইভারশন করা হবে।
একুশের প্রথম প্রহরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেশিয়াম মাঠে ভিআইপি গাড়ি পার্কিং এর ব্যবস্থা থাকবে।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী এবং ভিআইপিদের একুশের প্রথম প্রহরে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সর্বসাধারণকে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য পলাশী, জগন্নাথ হল হয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আসতে হবে।
শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় যারা গাড়ি নিয়ে আসবেন পলাশী ক্রসিং এ গাড়ি থেকে নেমে পায়ে হেঁটে শহীদ মিনার পর্যন্ত গিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে হবে। তবে সর্বসাধারণ নীলক্ষেত-পলাশী, পলাশী- ঢাকেশ্বরী সড়কগুলোতে গাড়ি রাখতে পারবেন। আর পলাশী থেকে শহীদ মিনার পর্যন্ত পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় জগন্নাথ হলের সামনে তল্লাশি করা হবে। ব্যাগ বা সন্দেহজনক কোন জিনিস সঙ্গে আনা যাবে না।
সুত্র : রাইজিংবিডি
]]>মঙ্গলবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। তবে শহীদ মিনার কেন্দ্রীক নিরাপত্তায় সুনির্দিষ্ট কোনও হুমকি নেই বলে জানান তিনি।
শহীদ মিনার কেন্দ্রীক নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারসহ ঢাকা মহানগরীর অন্যান্য শহীদ মিনারগুলোতেও সুদৃঢ়, নিরবিচ্ছিন্ন ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলবৎ থাকবে। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ঘিরে চার স্তরের নিরাপত্তা বলয় থাকবে। সিসিটিভির আওতায় থাকবে এ এলাকার প্রতিটি ইঞ্চি।’
কমিশনার আরও বলেন, ‘শহীদ মিনারের প্রবেশ পথে থাকবে আর্চওয়ে। আগতদের প্রত্যেককে মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশি চৌকি পেরিয়ে প্রবেশ করতে হবে। যেকোনও পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকবে ডিবি, সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ক্রাইম সিন ভ্যান। পুরো এলাকা ডগ স্কোয়াডের মাধ্যমে সুইপিং করা হবে।’
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার কেন্দ্রীক ছয় হাজার পুলিশ মোতায়েন থাকবে। এর বাইরে ঢাকা মহানগরীজুড়ে দায়িত্ব পালন করবে ১০ হাজার পুলিশ সদস্য। পোশাকধারী পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।
কোনও সংস্থা বা কাউকে শহীদ মিনার কেন্দ্রীক কাউকে বাণিজ্যিকীকরণ কর্মকাণ্ড করতে দেওয়া হবে না। বাণিজ্যিকীকরণের উদ্দেশে কাউকে কোনও ধরনের ব্যানার ফেস্টুন ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘শহীদ মিনারের আশেপাশের এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে আগতদের তল্লাশি করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় ভাসমান দোকান ও হকার উচ্ছেদ করা হবে। ২০ তারিখ সন্ধ্যা থেকে পরদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ছাড়া বহিরাগত কেউ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশ করতে পারবে না। এছাড়া স্টিকার ছাড়া কোনও যানবাহন এ এলাকায় প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।’
আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী, বিদেশি কুটনৈতিক ও ভিআইপিদের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাধারণদের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। তবে সাধারণ নাগরিকদের সবাইকে পলাশী হয়ে শহীদ মিনারের প্রবেশ করতে হবে। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দোয়েল চত্বর ও চানখাঁরপুল হয়ে বেরিয়ে যাবে।’
সুত্র : বাংলা ট্রিবিউন
]]>সোমবার দুপুরে বিশ্ব ইজতেমা ময়দানসংলগ্ন শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার স্টেডিয়ামে স্থাপিত পুলিশ কন্ট্রোল রুমের সামনে এক বিফ্রিংয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার ওয়াই এম বেলালুর রহমান বলেন, ‘ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ইজতেমার কার্যক্রম চলছে। প্রত্যেকটি মানুষের ভেতর নিরাপত্তা বোধ জাগ্রত আছে। অত্যন্ত সুন্দরভাবে ইজতেমা উদযাপিত হচ্ছে। শনিবার বৃষ্টি হয়েছিল। বৃষ্টির কারণে সরকার ইজতেমা এক দিন পিছিয়েছে। এতে আগামীকাল সকাল বেলা দ্বিতীয় পর্বের আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। এ মোনাজাতের জন্য নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থা আগের আখেরি মোনাজাতের মতোই নেওয়া হয়েছে।’
অর্থাৎ সোমবার দিবাগত মধ্যরাত হতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের জয়দেবপুর চান্দনা চৌরাস্তার ভোগড়া বাইপাস, টঙ্গী ব্রিজ, আশুলিয়া সড়কের কামারপাড়া ব্রিজ ও টঙ্গী-নরসিংদী সড়কের মীরেরবাজার এলাকায় ব্যারিকেড দিয়ে সব ধরনের যানবাহন টঙ্গীতে প্রবেশ বন্ধ রাখা হবে। ইজতেমা শেষে মুসল্লিদের যাওয়ার সময়ও একই ব্যবস্থাপনা অব্যাহত থাকবে। প্রতিটি নাগরিক ট্রাফিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে সহযোগিতা করবেন, এ আশা প্রকাশ করেন পুলিশ কমিশনার।
উল্লেখ, ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে টঙ্গীর তুরাগ তীরের বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে তাবলিগ জামাতের ৫৪তম বিশ্ব ইজতেমা। গত ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি ইজতেমার কার্যক্রম পরিচালনা করেন মাওলানা জুবায়েরের অনুসারীগণ। ১৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় তাদের বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাত। পরে রোববার থেকে শুরু হয়েছে সা’দ অনুসারীদের ইজতেমার কার্যক্রম।
সুত্র : রাইজিংবিডি
]]>প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও আনন্দঘন ও প্রাণোচ্ছ্বল পরিবেশে অমর একুশে বইমেলা উদযাপনের লক্ষ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ নিশ্ছিদ্র ও কঠোর নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহন করেছে।
নগরবাসীকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা দেয়ার পাশাপাশি মানবিকতাকে নিজের মধ্যে লালন করে সেবা দিয়ে যাচ্ছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।
প্রতিবছরের ন্যয় এবারও বইপ্রেমীদের সেবার্থে তাদের তৃষ্ণা মেটানোর জন্য বিনামূল্যে সরবরাহ করা হচ্ছে সুপেয় খাবার পানি। সেই সাথে রয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মানবিক উদ্যোগের আরেকটি সেবা ‘লস্ট এন্ড ফাউন্ড সেন্টার’।
বিশুদ্ধ খাবার পানিঃ
লেখক, প্রকাশক ও শিশু-কিশোরসহ সর্বস্তরের মানুষের স্পন্দিত অংশগ্রহণে মুখরিত বইমেলা। আবেগ-উচ্ছ্বাস আর ভালবাসায় পুরো ফেব্রুয়ারি মাস জুড়ে চলবে প্রাণচাঞ্চল্যে ভরা বইপ্রেমী মানুষের সরব উপস্থিতি। বইমেলায় ঘুরতে আসা নারী, শিশু ও বয়োজ্যেষ্ঠদের সেবার্থে তাদের তৃষ্ণা মেটানোর জন্য প্রতিবছরের ন্যয় এবারও বিনামূল্যে বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ করছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।
লস্ট এন্ড ফাউন্ড সেন্টারঃ
বইমেলায় আপনার প্রিয়জনকে নিয়ে এসে প্রচন্ড ভিড়ের মাঝে তাকে হারিয়ে ফেললে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। আপনার প্রিয়জনকে খুঁজে দিতে ডিএমপি’র রয়েছে ‘লস্ট এন্ড ফাউন্ড সেন্টার’।
ভাবছেন এটা আবার কোথায়? সেখানে যেয়ে কিভাবে সাহায্য পাবো? আপনার সব ভাবনা দূর করতে সবসময় নিয়োজিত রয়েছে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার।
কেউ হারিয়ে গেলে আপনি মেলায় স্থাপিত পুলিশ কন্ট্রোল রুমে ‘লস্ট এন্ড ফাউন্ড সেন্টারে’ যোগাযোগ করে হারানো ব্যক্তির বর্ণনা বলুন। পুলিশ আপনার প্রিয়জনকে খুঁজে পেতে সাহায্য করবে।
আপনার অভিযোগটি দ্রুত জানান বইমেলায় অবস্থিত পুলিশ কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে। যোগাযোগ করুন এই নম্বরসমূহে, ০১৭৭৮-৯৬৬৮৯৫ (বাংলা একাডেমি এলাকায় পুলিশ কন্ট্রোলরুম) এবং ০১৮৩৫-৩৬১৫২১ (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এলাকায় পুলিশ কন্ট্রোলরুম)।
সুত্র : ডিএমপি নিউজ
]]>এ উপলক্ষে আজ (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরে উপস্থিতিতে কেক কেটে তৃতীয়বর্ষ উদযাপন করেন ডিএমপি কমিশনার।
এ বিশেষ ইউনিটটির প্রধান হিসেবে রয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোঃ মনিরুল ইসলাম বিপিএম (বার), পিপিএম (বার)।
ডিএমপির’র এ বিশেষ ইউনিট কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) কার্যক্রম শুরু করে ৪টি বিভাগের মাধ্যমে। বিভাগগুলো হলো- স্পেশাল এ্যাকশন গ্রুপ বিভাগ (এসএজি), কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগ (সিটি), অর্গানাইজড ক্রাইম: ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম বিভাগ ও সাইবার সিকিউরিটি এন্ড ক্রাইম বিভাগ। এ সকল বিভাগের অধীনে রয়েছে বিভিন্ন বিশেষায়িত টিম। যারা সন্ত্রাস ও জঙ্গি কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
নিত্য নতুন চ্যালেঞ্জ ও সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে সিটিটিসি-র সদস্যরা। দেশে জঙ্গি কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে একের পর এক সফলতা দেখিয়েছে এ বিশেষ ইউনিট। সেই সাথে সর্বমহলে গ্রহণযোগ্যতা ও প্রসংশা কুঁড়িয়েছে এ বিশেষ ইউনিটটি।
জঙ্গিবাদ, উগ্রবাদ, সাইবার ক্রাইম, বোমা, বিস্ফোরক, অস্ত্র, মাদক, আন্তঃদেশীয় অপরাধ, ও জালিয়াতি মতো অপরাধ দমনে জীবন বাজি রেখে নিরবে কাজ করে যাচ্ছে কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।
সুত্র : ডিএমপি নিউজ
]]>