Awin
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেল চালুর সময় টাইমস্কেল উঠিয়ে দেওয়া হয়। এতে শিক্ষকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিলেন। এজন্য এখন চাকরির ১৬ বছরের মধ্যে অন্তত দুটি ধাপে উচ্চতর স্কেল চালু করা হচ্ছে। পাশাপাশি বেসরকারি কলেজের পদোন্নতির সোপান তৈরি করতে সহযোগী অধ্যাপকদেরও এমপিওভুক্ত করার কথা ভাবা হচ্ছে। এজন্য গত বছরের ১২ জুন জারি করা এমপিওভুক্তির নীতিমালা ও জনবল কাঠামোতেও প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হচ্ছে। বর্তমানে সহযোগী অধ্যাপকরা এমপিওভুক্ত হতে পারেন না। তারা নিজ প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন পান।
এছাড়া প্রথমবারের মতো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা) কর্মরত শিক্ষকদের জন্য চালু হচ্ছে অ্যানুয়াল সিক্রেট রিপোর্ট বা এসিআর। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা এই এসিআর লিখবেন। তাতে প্রতিস্বাক্ষর করবেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের আঞ্চলিক পরিচালক। সারা দেশে মাউশির ৯ জন আঞ্চলিক পরিচালক রয়েছেন। আর প্রতিষ্ঠান প্রধানদের (অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক) এসিআর লিখবেন মাউশির আঞ্চলিক পরিচালক। তাতে প্রতিস্বাক্ষর করবেন মাউশির কলেজ ও প্রশাসন শাখার পরিচালক। এরপর তা সরকারের কাছে (মাউশিতে) জমা দেওয়া হবে। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা ও যোগ্যদের মূল্যায়নের জন্য এ উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বেসরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের এসিআর চালু করা গেলে পদোন্নতিসহ শিক্ষকদের সার্বিক উন্নয়নে তা কাজে লাগানো হবে। বেতন স্কেলের পরবর্তী উচ্চতর ধাপে যেতেও তা প্রয়োজন হবে।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বেসরকারি শিক্ষকদের সংখ্যা বিপুল হওয়ায় তাদের এসিআরের বিষয়টি কাগজে-কলমে না করে অনলাইনে ‘ই-এসিআর’ করার কথা ভাবছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এজন্য পৃথক নতুন একটি সফটওয়্যার তৈরির কথা ভাবা হচ্ছে। আর সহযোগী অধ্যাপকদের এমপিওভুক্তির জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে।
সূত্র জানায়, বেসরকারি শিক্ষকদের এক প্রতিষ্ঠান থেকে আরেক প্রতিষ্ঠানে বদলি করতে একটি নীতিমালা তৈরির জন্য মন্ত্রণালয় থেকে মাউশিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের বিষয়ে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য গত ২৭ মার্চ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। অতিরিক্ত সচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক) মো. জাবেদ আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় ৩ এপ্রিলের মধ্যে বেসরকারি শিক্ষকদের বদলির খসড়া নীতিমালা তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে নির্দেশ দেওয়া হয় মাউশিকে।
সুত্র : রাইজিংবিডি
]]>জানা গেছে, বিভিন্ন এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন নিয়োগ পাওয়া ২০৯৯ শিক্ষক-কর্মচারীকে এমপিওভুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর গঠিত কমিটি।
বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর গঠিত কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক। সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
স্কুল ও কলেজের ১ হাজার ৩৮৩ জন শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্যে বরিশাল অঞ্চলে ১৪০ জন, চট্টগ্রাম ১৫৮, কুমিল্লা ১৭৬, ঢাকা ২৫৩, খুলনা ১৭২, ময়মনসিংহ ১৩০, রাজশাহী ১৭১, রংপুর ১২৪ এবং সিলেট অঞ্চলে ৩৪ জনকে এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া অফলাইনে আবেদন করা ২৫ শিক্ষককে এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় এমপিও কমিটি।
মাদরাসার ৭১৬ জন শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্যে বরিশাল অঞ্চলে ১২২ জন, চট্টগ্রাম ৫৬, কুমিল্লা ১৩৫, ঢাকা ১০৫, খুলনা ৭৮, ময়মনসিংহ ৮৯, রাজশাহী ৮১, রংপুর ৪০ জন এবং সিলেট অঞ্চলে ১০ জনকে এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এমপিও কমিটির সভায়।
সভায় এমপিওর আওতাভুক্ত শূন্যপদে কর্মরত ইনডেক্সবিহীন শিক্ষকদের এমপিওভুক্তি, ইনডেক্সধারী প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহপ্রধানদের অভিজ্ঞতার উচ্চতর স্কেল, সহকারী অধ্যাপক পদের স্কেল, টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড, বিএড বা কামিল স্কেল, সহকারী লাইব্রেরিয়ান পদের এমপিওসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
সুত্র : রাইজিংবিডি
]]>